[আরশাদুল ক্বাদেরী (রহ.)’র লালাঃযার অবলম্বনে]
লেখকঃ প্রমিত মুন্তাসির পান্থ
[পর্ব-এক]
কারবালার দ্বিপ্রহরান্তের লোমহর্ষক বেদনাবিধুর কাহিনী শুনার আগে এক হৃদয়বিদারক ও বেদনাদায়ক দৃশ্য দৃষ্টির সামনে নিন।
সকাল হতে দ্বিপ্রহর পর্যন্ত খান্দানে নবূয়তের নয়ন মণি ও বংশের প্রদীপ এবং সকল সমর্থক-সাহায্যকারী একে একে শহীদ হয়ে গেলেন। সবাই শেষ নিশ্বাসান্তে হৃদয়ের আঘাত জর্জরিত ময়দানে এক একটি নূতন দাগ কেটে গেল। প্রত্যেক ধড়ফড়মান লাশের শেষ গড়গড়ায় ইমামে আলী মকাম ময়দানে পৌছে কোলে তুলে নিয়ে তাবু পর্যন্ত এনে উরুতে মস্তক রেখে চোখে চোখ রাখেন আর প্রাণোৎসর্গী প্রাণ সপে দেন।
দৃষ্টির সামনে যে লাশের স্তুপ, তাতে কলিজার টুকরাও আছে, নয়নের তারাও, ভাই-বোনের আদরের দুলালও, পিতার চিহ্নও। ওই গোর-কাফনহীন লাশের মাতম কে করবে, কে অশ্রু ভাসাবে এবং কে জ্বলন্ত আঁখিতে সান্ত্বনার প্রলেপ দেবে?
একা এক হুসাইন আর দুই জগতের আশা-আকাঙ্খার ভিড়; এক অত্যাশ্চর্য বেদনাবিধুর অসহায়ত্বের জগৎ। পদে পদে এক নূতন কিয়ামত খাঁড়া হচ্ছে দমে দমে দুঃখ বেদনার নূতন নূতন পাহাড় ভেঙ্গে পড়ছে।
অন্য দিকে হরমে নবূয়তের রমণীগণ রয়েছেন। রাসূলুল্লাহ (দ.)’র কন্যারা রয়েছেন। শোকাহত মা ও ব্যথাতুর বোন রয়েছেন। তাদের মাঝে উনারাও আছেন, যাদের কোল শূন্য হয়েছে, যাদের বক্ষ হতে সন্তানের বিচ্ছেদের আঘাত পৌঁছছে, যাদের কোল হতে দুগ্ধপোষ্য শিশুও ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে, যাদের ভাই, ভাতিজা ও ভাগ্নের গোর-কাফনহীন লাশ সামনে পড়ে আছে।
কাঁদতে কাঁদতে চোখের জল শুকিয়ে গিয়েছে। আধমরা শরীরে ছটফট করার শক্তিও অবশিষ্ট নেই। নারী জাতির মন এমনিতে কোমল হয়, টুকু আঘাতও সইতে পারেনা; তার ওপর আজ পাহাড় ধ্বসে পড়েছে।
সবাই শাহাদতের পেয়ালা পান করেছেন। একা এক ইবনে হায়দারের সত্তাই বাকি রয়েছেন, যিনি লুন্ঠিত কাফেলার শেষ ভরসা। হায়! এখন তিনিও সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাবুতে ক্রন্দনরোল পড়ে গেল। কখনো বোনকে সান্ত্বনা দিচ্ছেন, কখনো শহরবানুকে দীক্ষা দিচ্ছেন, কখনো কলিজার টুকরো অসুস্থ আবেদকে গলায় লাগাচ্ছেন আবার কখনো অল্প বয়সী বোন ও প্রিয় কন্যাদের প্রতি নৈরাশ্যভরা দৃষ্টিতে দেখছেন। আশা-নৈরাশ্যের দোলাচাল, দায়িত্বের তাড়া, রক্তসম্পর্কে দামান টানছে আর ঈমান বধ্যভূমির দিকে ডাকছে।
কখনো এ ধারণা আসে যে, আমার পর তাবুবাসীর কি অবস্থা হবে? পরদেশে হরমের ইয়াতিম ও বিধবাদের সাথে শত্রুরা কেমন আচরণ করবে?
অন্য দিকে শাহাদাতের আকর্ষণ, মিল্লাতের পবিত্রকরণ ও সত্য-প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব বর্শাগ্রে চড়ে আহ্বান করছে।
অবশেষে আহলে বায়তের কাণ্ডারী, বায়তুল্লাহর রক্ষক, নানাজানের শরীয়তের সংরক্ষক হযরত ইমাম হুসাইনও আপন শিরে কাফন বেঁধে রণে যেতে প্রস্তুত হলেন।
আহলে হরমকে ধড়ফড়াতে-ফুঁফাতে-কাঁদতে রেখে হযরত ইমাম শত্রুদের সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন।
এবার একটু দাঁড়িয়ে চোখ বন্ধ করে দৃশ্যপট অবলোকন করুন। পুরো কাহিনীতে এটি ওই স্থান যেখানে মানুষের কলজে ফেটে যায় বরং পাথরের বক্ষ পানি হয়ে প্রবাহিত হতে শুরু করে। তিন দিনের ক্ষুধার্ত-পিপাসার্ত মুসাফির একাকী বাইশ হাজার তরবারীর ভিড়ে, শত্রুপক্ষের পেশাদার খুনী চতুর্দিক হতে এগিয়ে আসছে।
দরজায় দাঁড়িয়ে আহলে বায়তের পর্দানশীন রমণীরা অশ্রুভেজা নয়নে এ দৃশ্য দেখছেন। ক্ষণে ক্ষণে দুঃখ-বেদনার অথৈ সাগরে অন্তর নিমজ্জিত হচ্ছে। কখনো মুখ হতে চিৎকার বেরুচ্ছে আবার কখনো চোখ বন্ধ হচ্ছে।
হায়রে সমর্পণ-সন্তোষের অরক্ষিত ময়দান! ফুলের পাপড়িতে পা রেখে চলাচলকারী শাহযাদীরা, আজ অঙ্গারের ওপর লুটে পড়ছে, যাদের সম্ভ্রমের ইঙ্গিতে ডুবন্ত সূর্য পল্টে আসে, আজ তাদের আশার তরী দৃষ্টির সামনে ডুবে যাচ্ছে কিন্তু মুখ খুলছেনা।
দর্শনার্থী চক্ষু আপন দেশ-নায়ক, আশার কেন্দ্র, প্রিয় হুসাইনকে অনুশোচনা ভরা দৃষ্টিতে দেখছেন যে, একটি মাত্র নিশানায় সহস্র তীর চলছে, তরবারী কোষমুক্ত হচ্ছে, আকাশে বর্শার ফলা চমকাচ্ছে আর দেখতে দেখতেই ফাতেমার চাঁদ আড়ালে এসে গেল।
আঘাতে চুরচুর, রক্তে রঞ্জিত সাইয়্যেদায়ে কায়েনাত খাতুনে জন্নাতের আদরের দুলাল যখনই ভূমিতে নিপতিত হল, জগতের বক্ষ কেঁপে ওঠল, কা‘বার দেওয়াল হেলে গেল, আকাশের আঁখি রক্তপাত করল, সূর্য লজ্জায় মুখ ঢেকে নিল এবং ধরিত্রীর সমস্ত আকাশ মাতম ও দুশ্চিন্তায় ভরে গেল।
অপর দিকে পবিত্র আত্মাসমূহ ও দয়ার ফিরিশতাদের সমভিব্যাহারে শহীদে আ‘যমের পবিত্র রূহ যখন উর্ধ্ব জগতে পৌঁছল, তখন চতুর্দিকে ইবনে হায়দারের ইমামত-সালতানাত-নেতৃত্বের জয়ধ্বনি বুলন্দ হচ্ছিল।
এ দিকে তাবুতে চতুর্দিকে আগুন আর আগুন। ধৈর্য-সহ্যের ভাণ্ডার জ্বলছে। ইয়াতিম, বিধবা ও শোকাহতদের আহাজারিতে ধরিত্রীর কলজে ফেটে গেল, আশার রাজ্য লুুন্ঠিত হল। আহ! মাঝদরিয়া কিস্তির কাণ্ডারীও চলে গেলেন!
এখন বনু হাশিমের ইয়াতিমরা কোথা যাবে? কার দিকে তাকাবে? নবূয়ত ঘরণার ওই শাহযাদীরা, যাদের পবিত্র গৃহে জিব্রাঈলও বিনানুমতিতে প্রবেশ করেনি, প্রত্যুষের সমীরণও যাদের আঁচলের নিকট পৌঁছে আদবে নত হয়ে গতিপথ পাল্টাত; আজ কারবালার ময়দানে কে তাদের অন্তরঙ্গ, যাকে আপন দুঃখ-বেদনার কথা বলতে পারবেন।
একটু বুকে হাত দিয়ে চিন্তা করুন যে, আমাদের এখানে একজন মারা গেলে গৃহবাসীর কি অবস্থা হয়? সাহানুভূতিশীলদের ভিড় ও সাহায্যকারীদের ধৈর্যের দীক্ষা সত্ত্বেও অশ্রু থামেনা, অস্থিরতার আগুন নিভেনা, আহাজারি ও ফরিয়াদের শোর কমেনা। ফের কারবালার ময়দানে অন্তঃপুরের শোকাহত রমণীদের ওপর কি বয়ে গেল? যাদের সামনে ছিল ছেলে, স্বামী ও প্রিয়জনদের লাশের স্তুপ, যারা সমব্যথী, সাহানুভূতিশীলদের ভিড়ে নয় রক্তপিপাসু শত্রু হিংস্র জন্তুদের মজমায়!
ইমাম আলী মকামের মস্তক দ্বিখণ্ডিত করার পর কূফাবাসীরা পরণের জামা খুলে নিল। পবিত্র শরীরে বর্শার ৩২ আঘাত এবং তরবারীর ৩৪ ঘা ছিল। ইবনে সা‘দের নির্দেশে ইয়াযিদী সৈন্যের দশ কাপুরুষ খাতুনে জন্নাতের কলিজার টুকরার লাশ ঘোড়ার খুরে দলিত করল।
হযরত যয়নব ও শহরবানু তাবু হতে এ লোমহর্ষক দৃশ্য দেখে হুহু রবে কেঁদে ওঠলেন এবং চিৎকার দিয়ে ভূপতিত হলেন। অতঃপর শিমার ও ইবনে সা‘দ সগর্জনে তাবুর দিকে বাড়ল। বদবখত শিমার ভিতরে ঢুকে পর্দাবর্তী অন্তঃপুরবাসীদের চাদর ছিনিয়ে নিল, মাল-সম্বল লুটে নিল। হযরত যয়নব বিনতে আলী আত্মসম্ভ্রমবোধ ও অস্থিরতার আগুনে জ্বলে ওঠে বল্লেন,
শিমার! তোমার চক্ষু কানা হয়ে যাবে। তুমি রাসূলুল্লাহর কন্যাদের পর্দাহীন করতে চাচ্ছ। আমাদের চেহরার হিফাযতকারী শহীদ হয়ে গেলেন। এখন দুনিয়ার বুকে আমাদের কেউ নেই। এটি মানি যে, আমাদের অসহায়ত্ব তোমাদের দুঃসাহসী করে দিয়েছে, কিন্তু কলিমা পড়ানোর অনুগ্রহও ভুলে গিয়েছ? পাষাণান্তর জালেম! মুহাম্মদ (দ.)’র ইজ্জতের অমর্যাদা করে আল্লাহর গজব ডেকে এনোনা। তোমাদের কি এতটুকু শরমও নেই যে, আমরা ওই রাসূলের দৌহিত্রী যিনি হাতেম তাঈ’র বন্দি কন্যাকে আপন চাদর দিয়ে দিয়েছেন।
হযরত যয়নবের গর্জন শুনে অসুস্থ আবেদ টলতে-টলতে আপন বিছানা হতে ওঠে দাঁড়ালেন এবং শিমারের ওপর তরবারী চালাতে চাইতেই দুর্বলতা ও অক্ষমতায় ভূমিতে পতিত হলেন।
তাঁকে ইমাম হুসাইন (রা.)’র শেষ নিশানা জেনে শিমার আপন সিপাহীদের নির্দেশ দিল যে, তাঁকেও হত্যা কর; যাতে হুসাইনের নাম-নিশানাও জগতের বুক হতে মুছে যায়। পরন্তু ইবনে সা‘দ এ রায়ের সাথে একমত হলনা এবং এ বিষয়টি ইয়াযিদের নির্দেশের জন্য মুলতবি রইল।
সন্ধ্যা নেমে এল। ইয়াযিদী বাহিনীর সেনাপতি বিজয়-উল্লাসে মেতে ওঠল। রাত্রি এক প্রহর পর্যন্ত আনন্দ-উম্মাদনার মজলিস গরম রইল।
এ দিকে তাবুর অধিবাসীদের জন্য এ মুসাফিরী সন্ধ্যা ক্বিয়ামত অপেক্ষা কম ছিলনা।
বায়তুল্লাহর রক্ষকদের ঘরে প্রদীপও জ্বললনা। সমস্ত এলাকা শোকের ছায়ায় ঢাকা। বধ্যভূমিতে ইমামের দলিত লাশ গোর-কাফনহীন পড়ে রয়েছে। তাবুর নিকটে গুলশনে ফাতেমার দলিত-মথিত পুষ্পরাজির ওপর বেদনাদয়ক অনুশোচনা বর্ষিত হচ্ছে। রাতের ভয়ানক ও ভীতিকর আঁধারে তাবুবাসীরা কেঁপে-কেঁপে ওঠছেন।
জীবনের এ প্রথম শোকার্ত-উদাস রজনী হযরত যয়নব ও শহরবানুর পোহাতেই চাচ্ছেনা। সারা রাত তাবু হতে হাঁফানি-ফুঁফানির শব্দ আসছিল। অনুতাপের ধোঁয়া ওঠতেছিল আর রূহজগতের আত্মাসমূহ অবতীর্ণ হতে ছিল। আজ প্রথম রাত ছিল যে, আল্লাহর ঘর সাজাবার জন্য অন্তঃপুরবাসীর সবকিছুই লুটে দিয়েছেন।
পরদেশ, মরুময়দান, বধ্যভূমি, মাটি আর রক্তে লেপ্টে থাকা চেহরা, মৃতের ঘর, নিকটেই অসুস্থ আবেদের কুঁই-কুঁই, ক্ষুধা-পিপাসার যন্ত্রণা, রক্তভুক জানোয়ারদের ভিড়, ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তা, বিরহ-বিচ্ছেদের আগুন; আহ! বক্ষবিদীর্ণকারী সকল উপকরণ বধ্যভূমিতে এ প্রথম রাতে উপস্থিত।
বড় মুশকিলে রাত পোহাল, আলো ফুটল। বেলা ক্ষাণিক গড়াতেই ইবনে সা‘দ কতেক সিপাহী সহ উট নিয়ে এসে তার নগ্ন পিঠে যয়নব, শহরবানু ও যয়নুল আবেদীনকে সাওয়ার করাল। পুষ্পের ন্যায় কোমল হাতে বেড়ি লাগল। অসুস্থ আবেদকে মা ও ফুফির সাথে এমন ভাবে বেঁধে দিল যে, নড়াচড়াও করতে পারছিলেন না।
আরেকটি উটে অন্যান্য রমণী ও শিশুদের একই ভাবে বেঁধে তুলে দেওয়া হল। আহলে বায়তের এ লুন্ঠিত কাফেলা যখন কারবালার ময়দান থেকে বিদায় হচ্ছেন তখনকার প্রলয়ংকরী দৃশ্যপট লেখা সাধ্যাতীত।
কারবালার ঘটনার এক চাক্ষুষ স্বাক্ষীর বর্ণনা যে, খুলী ফাতেমার কলিজার টুকরা হুসাইনের শির মোবারক বর্শাগ্রে লটকিয়ে অন্তঃপুরের বন্দিগণের উটের আগে আগে ছিল। পেছনে বাহাত্তর শহীদের মস্তক অন্যান্য পাপিষ্ঠরা নিয়ে চলল।
খান্দানে রিসালতের এ লুন্ঠিত কাফেলা বধ্যভূমি অতিক্রম কালে হযরত ইমাম (রা.)’র গোর-কাফনহীন লাশ এবং অন্যান্য শহীদগণের  জানাযায় দৃষ্টি পড়তেই আহলে বায়তের রমণীগণ ব্যাকুল হয়ে গেলেন। অন্তরের আঘাত সহ্য করতে পারলেননা। আহাজারিতে কারবালার ময়দান হেলে ওঠল। অসুস্থ আবেদ অতি অস্থিরতায় বারবার মূর্ছিত হচ্ছিলেন এবং হযরত শহরবানু তাঁকে সামলানোর কাজে ব্যস্ত ছিলেন। ক্বিয়ামতের এ হৃদয়বিদারক দৃশ্য হেরে পাথরের বক্ষও বিদীর্ণ হয়ে গেল।
ফাতেমা তনয়া যয়নবের অবস্থা সবচেয়ে শোচনীয় ছিল। অসহনীয় মনোবেদনায় অস্থির হয়ে তিনি মদীনার দিকে মুখ করে হৃদয় বিদীর্ণ করা আওয়াজে নানাজানকে ডাক দিলেন।
“ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনার ওপর আসমানের ফিরিশতাদের সালাম। এ দেখুন আপনার প্রিয় হুসাইন মরুবালিতে পড়ে আছে। মাটি আর রক্তে মলিন শরীর, টুকরো-টুকরো লাশ; গোর ও কাফন পর্যন্ত পায়নি। নানাজান! আপনার সমস্ত আওলাদ কতল করে দেওয়া হয়েছে। বায়ু তাদের ওপর বালি ওড়াচ্ছে। আপনার মেয়েরা বন্দি, হাত বাঁধা, দড়িতে কষা। পরদেশে তাদের কোন বন্ধু-বান্ধব নেই। নানাজান! আপনার ইয়াতিমদের ফরিয়াদ শুনুন”।
ইবনে জরীর বর্ণনা করেন যে, দোস্ত-দোশমন নির্বিশেষে এমন কেউ ছিলনা যে হযরত যয়নবের এ আহাজারিতে অশ্রুসিক্ত হয়নি।
বন্দি আহলে বায়ত অশ্রুসিক্ত নয়ন আর হিয়া বেরিয়ে আসা হেঁচকি নিয়ে কারবালা হতে বিদায় হয়ে কূফার দিকে রাওনা হলেন।
সন্ধ্যা নেমে এল। এক পাহাড়ের পাদদেশে ইয়াযিদী সৈন্যদের নেতারা তাবু ফেল্ল। বন্দি আহলে বায়তদের আপন আপন বাহন হতে নামানো হল।
চলবে-